বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) (পাঠ-৫)

অষ্টম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় - বাংলাদেশ এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা | NCTB BOOK
2.3k
Summary

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যা জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে।

এটি ১৯৪৮ সালের ৭ই এপ্রিল গঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

সংস্থাটির লক্ষ্য হলো বিশ্বের সকল মানুষের জন্য সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে WHO জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে महत्वपूर्ण ভূমিকা রাখছে এবং সংক্রামক ব্যাধি দূরীকরণে সাহায্য করছে।

বিশেষ করে, শিশুদের ৬টি ঘাতক রোগ—হাম, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, যক্ষ্মা, পোলিও, হুপিং কাশি—প্রতিরোধে এটি কাজ করছে।

এছাড়া, ম্যালেরিয়া দূরীকরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন উন্নতি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হার কমানো, এবং কলেরা ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO এর পুরো নাম World Health Organization। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করে। ১৯৪৮ সালের ৭ই এপ্রিল এটি গঠিত হয়। সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। বিশ্বের সকল অংশের মানুষের জন্য সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করাই সংস্থাটির লক্ষ্য ।

বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে 'বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশ থেকে সংক্রামক ব্যাধি দূর করতে সাহায্য করছে। শিশুদের ৬টি ঘাতক রোগ (হাম, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, যক্ষ্মা, পোলিও, হুপিং কাশি প্রভৃতি) প্রতিরোধেও সংস্থাটি অবদান রাখছে। এছাড়া দেশ থেকে ম্যালেরিয়া দূরীকরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হার কমানোর জন্যও কাজ করছে সংস্থাটি। কলেরা ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবদান উল্লেখযোগ্য ।

কাজ : শিশুদের ছয়টি ঘাতক রোগের প্রতিরোধে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা বর্ণনা করো।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...